অনুমানের সূত্র ও প্রতিস্থাপনের সূত্রের মধ্যে পার্থক্য
https://amzn.to/3XqnBwZ Introduction to Logic IM Copi
অনুমানের সূত্র ও প্রতিস্থাপনের সূত্র উভয়ই যুক্তির বৈধতার আকারগত প্রমাণের ভিত্তি হলেও যেহেতু নিবেশন ও প্রতিস্থাপনের মধ্যে পার্থক্য আছে, সেহেতু অনুমানের সূত্র ও প্রতিস্থাপনের সূত্রের মধ্যে পার্থক্য আছে। যেমনঃ
অনুমানের সূত্র নিবেশনের সূত্র (rule of substitution) কিন্তু প্রতিস্থাপনের সূত্র সমার্থতার সূত্র (rule of equivalence)। অর্থাৎ অনুমানের সূত্রে আমরা যুক্তি আকারে যুক্তিকে নিবেশন করি। যেমন (p>q), p, অতএব q এই যুক্তি আকারে নিবেশন করে A>B, A,অতএব B এই যুক্তি পাই। এইজন্য অনুমানের সূত্রকে (Rule of inference) নিবেশনের সূত্রও বলা হয়।
কিন্তু প্রতিস্থাপনের সূত্রে আমরা দুটি সমার্থক বচনের মধ্যে একটির পরিবর্তে অপরটিকে বসাতে পারি। এইজন্য প্রতিস্থাপনের সূত্রকে সমার্থতার সূত্রও (Rule of Equivalence) বলা হয়।
(2) অনুমানের সূত্রগুলি প্রত্যেকটি এক একটি যুক্তি। যেমন p.q/.. p-এটি যুক্তি (প্রকৃতপক্ষে যুক্তি আকার) কিন্তু প্রতিস্থাপনের সূত্রগুলি প্রত্যেকটি এক একটি বচন যেমন (p. q) ইকুইভ্যালেন্ট (q.p)-এটি বচন (প্রকৃতপক্ষে বচনাকার)।
(3) অনুমানের সূত্রে হেতুবাক্য ও সিদ্ধান্তের মধ্যে প্রতিপত্তির সম্পর্ক (Relation of Implication) থাকে। কিন্তু প্রতিস্থাপনের সূত্রে দুটি বচনের মধ্যে সমার্থতা সম্বন্ধ (Relation of Equivalence) থাকে।
(4) অনুমানের সূত্র যেহেতু যুক্তি, সেহেতু হেতুবাক্য থেকে সিদ্ধান্তকে পাওয়া যায়। কিন্তু সিদ্ধান্তকে হেতুবাক্য থেকে পাওয়া যায় না। যেমন p.q/. p (simplification) সূত্রটিতে p.q থেকে p-কে পাওয়া যায়, (অর্থাৎ p. q, p-কে নিঃসৃত করে) কিন্তু p থেকে p. q পাওয়া যায় না (p কখনও p. q-কে নিঃসৃত করে না)।
কিন্তু প্রতিস্থাপনের সূত্রে যেহেতু দুটি বচনের মধ্যে সমার্থতার সম্বন্ধ অতএব প্রথম বচনটি থেকে দ্বিতীয়টিকে সিদ্ধান্ত হিসাবে পাওয়া যায়
আবার দ্বিতীয়টি থেকেও প্রথমটিকে সিদ্ধান্ত হিসাবে পাওয়া যায়। যেমন: pqpvq (Equivalence)। এখানে pq থেকে pvq পাওয়া যায়।
মনোবিদ্যা সমরেন্দ্র ভট্টাচার্য বইটি কিনতে হলে উপরের লিংকে ক্লিক করো।
Leave a Reply